Saturday, October 13, 2007
ব্যাংকসটাউন মেলা - ঈদ মেলা
যখন গেলাম তখনও ভালভাবে লোকজন আসতে শুরু করেনি। যাই আমি আমার কাজ শুরু করেদিলাম। ছবি তোলা, ভিডিও তোলা শুরু হলো। বেশি করলাম ভিডিও।

আলোচনা, ইসলামী গান, খেলা বাচ্চাদের মজা সবিকছুই ছিল। বিকালে আরও জমবে। ভাইসাবের বাচ্চারা টায়ার্ড হয়ে গেলো বলে চলে চলে আসতে হলো। ভিডিও দেখুন আর এনজয় করুন এই ঈদ মেলা। নিচে ভিডিও দেখুন।

আলোচনা, ইসলামী গান, খেলা বাচ্চাদের মজা সবিকছুই ছিল। বিকালে আরও জমবে। ভাইসাবের বাচ্চারা টায়ার্ড হয়ে গেলো বলে চলে চলে আসতে হলো। ভিডিও দেখুন আর এনজয় করুন এই ঈদ মেলা। নিচে ভিডিও দেখুন।
Friday, October 12, 2007
ঈদের নামাজ হলো আমার আদায়

আজ সকাল ৭টায় পাঞ্চবোল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করলাম। সারারাত ব্লগে কাটিয়ে সকাল বেলা বড় ভাইয়ের চেচামেচিতে আমার চৈতন্য ফিরে এলো। তাড়িঘড়ি করে ওযু পরে দে দৈড়। ভাগ্য ভাল একটুকুর জন্য জামাতটা মিস হলোনা। ভাইসাব তার পুত্রধন নিয়ে আগেই হাজির। জীবনে কোন কাজ ঠিক মতো করতে না পারা আমি শেষ পযর্ন্ত নামাজটা করতে পারলাম তাতে আল্লাহকে শুকরিয়া জানাচ্ছিলাম। কতো রং বেরঙ এর মানুষ মসজিদে এলো। আফ্রিকান, আরব, এশিয়ান (ইন্দোনেশিয়া-মালয়শিয়ান, ফিলিপিনো সহ আর অন্যান্য এশিয়ো মানুষ), ইন্ডিয়ান (সংক্ষেপে আই পি বি - ইন্ডিয়ান পাকিস্থানী ও বাংলাদেশী)। ভাল লাগে সবার সরব সম্মিলন। নারী পুরুষ নির্বিশেষে। আজ মা আর বাবার কথা খুব মনে পরে। আমার বোন সিডনী, লুটন (ইউ কে) ঢাকা, সুনামগঞ্জ আর চট্টোগ্রাম - সবার সাথে কথা বলতে হবে। তারপর বাকি থাকে অন্ধকার মুখোমুখি বসবার আমি আর বনলতা সেন। আপনাদের জন্য কিছু ছবি পোস্ট করলাম। সবই আমার ছবি। ও আচ্ছা গত কাল একটা পোস্ট পড়ছিলাম পুডিং খাওয়া নিয়ে - আজ আর মিস না .......... সবাইকে ঈদের দাওয়াত (পুডিং সহ)। ভাল থাকুন । ঈদ মোবারক।
সিডনীতে এতো বাঙালী ছাত্র যে রীতিমতো মনে হয় যেন বাংলাদেশে আছি।

লেকেম্বা এলাকায় বাঙালী দোকান আছে প্রায় দশ/বারোটা। এতো অধিক বাঙালী দোকান কোন একক এলাকায় আর নেই বলে মনে হয়। প্রতি দিন কোন না কাজে অকাজে তাই এক বার ঢু মেরে আসতে ইচ্ছে হয়। আড্ডাবাজ বাঙালী আড্ডা ছাড়া কি চলে ভাই। কি খেতে ইচ্ছা হয় আপনার - সবকিছুই পাওয়া যায় লেকেম্বায়। কিছু দিন আগে হয়ে গেল বিশাল বড় মাল্টিকালচারাল উ৭সব। একে বলা হয় হলডেন স্ট্রিট ফেস্টিবল। এতো গেল লেকেম্বা। আরও তো বাকি রইল রকডেল, মেরিকভিল, ক্যাম্পসির কথা।
সিলেটি জাতীয়তাবাদ
সিলেট অঞ্চলের ইতিহাস খুবই ইন্টারেসটিং। খুব প্রাচীন আমলের কথা বলছি না। ১০০ বছর আগেও সিলেট আগেও সিলেট অঞ্চলটা একত্রিভুত ছিল। মূলত সিলেট অঞ্চল বলতে বুঝায় আসামের কাছার, করিমগঞ্জ এবং বাংলাদেশের সিলেট বিভাগকে। ১৯৪৭ সালে প্রথম সিলেটকে টুকরো করা হয়। করিমগঞ্জ ও কাছারকে আসামে আর বর্তমান সিলেট বিভাগকে বাংলাদেশে ভাগাভাগি করা হয়। সিলেট বিভাগ ১৯৪৭ সালে ৪৮-৫২ ভোটে পাকিস্থানে যোগদান করে। সিলটি ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা আছে তা নিশ্চয় জানেন। তাকে বলা হয় নাগরি। সিলেটের অঞ্চলে নাগরি পুথিঁ আজও পাওয়া যায়। নাগরি নিয়ে ড. সাদিকের গুরুত্বপূর্ন অনেক গবেষণা আছে। ড. সাদিক বাংলাদেশ সরকারের একজন আমলা। তাছাড়া সিলেটি লোকজন তাদেরকে সিলেটি পরিচয় দিতেই বেশী পছন্দ করেন। সিলেটের স্বায়ত্বশাসন নিয়ে যদিও আন্দোলন অব্যাহত আছে সারাবিশ্বে। অষ্ট্রেলিয়ার সিলেটিরা খুবই সংঘবদ্ধ। এখানে যেহেতু লোকসংখ্যাই কম তাই সিলেটিরাও কম। তবে সারা বিশ্বের প্রবাসী সিলেটির সংখ্যা ইউকে তেই সবচেয়ে বেশী। তাদের কয়েকটি টিভি চ্যানেল ২৪ ঘন্টাই সিলেটি ভাষা সম্প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলা টিভি, চ্যানেল-এস এর মধ্যে অন্যতম। সিলেটি জাতীয়তাবাদ (আঞ্চলিকতা নয়, পরিষ্কার জাতীয়তাবাদ) এখন দৃশ্যমান সত্যের রূপ ধারণ করেছে। যা কিনা সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমরা আমরা সিলেটি তবে তার চেয়ে বড় কথা বাঙালী । অনলাইন বাংলা টিভি দেখার জন্যে আমার ওয়েব সাইট দেখুন। http://www.mnalamfarid.com/friends আর বিস্তারিত জানতে বাংলা পিডিয়া দেখুন বা এই লিংক দেখুন http://en.wikipedia.org/wiki/Sylhet সিলটি ভাষা সম্পর্কে আর জানতে http://en.wikipedia.org/wiki/Sylheti_language
পার্বত্য চট্টোগ্রাম - পাকিস্থান আমলের পুর্ব-পাকিস্থান
আপনাদেরকে প্রথমে অষ্ট্রেলিয়ার কিছু আদিবাসী জনগুষ্ঠির অধিকারের কথা বলি। অষ্ট্রেলীয় সরকার আদিবাসীদের জন্যে সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে বাধ্য এবং সরকাল এব্যাপারটতে যথেষ্ট আন্তরিক বলে আমার মনে হয়েছে। যে কোন চাকরীতে আদিবাসীদের একটা কোটা থাকবেই। তারা সরকারী বিশেষ একটা ভাতা পাবেই। তাদের বসস্থান শিক্ষা চিকি্ত্সা সব সরকার বহন করবেই। আরও আছে কুইন্সল্যান্ডে এবং নর্দান টেরিটোরিতে কিছু আদিবাসী স্বায়ত্বশাসিত এলাকা এলাকা আছে যেখানে আর কেউ জায়গা জমি কিনতে পারেনা ।এর কারণ আমরা যারা এদেশে থাকি তারা সবাই অভিবাসী। আর মূল বাসিন্দাদের নিশ্চয় অধিকার একটু বেশীই থাকা উচিত। যখন বাংলাদেশে ছিলাম তখন অনেক বিষয় নজরে এসেছে। আদিবাসীরা মানবেতর জীবন যাপন করে। যদিও আমাদের বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়টাতে খুবই স্পর্শকাতর। কিন্তু এটা সত্য যে পাবর্ত্য চট্টোগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশে সবচাইতে অবহেলিত জনপদ। সেনাবাহিনী নিবির্চারে সেখানে রাজত্ব করছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় এটা আরেকটা পুর্ব-পাকিস্থান। আমি জানি এ বিষয়ে আপনারা কথা বলতে নারাজ হবেন। কিন্তু সত্য সত্যই তা যতই অপ্রিয় লাগুক। অষ্ট্রেলিয়ায় যে কয়জন পার্বত্য চট্টোগ্রামের বাসিন্দা রয়েছেন তাদের প্রায় সবারই একই ধারণা যে পাবর্ত্য চট্টোগ্রামে যা ঘটে তা নিয়ে আমরা বাঙালীরা খুব একটা মাথা ঘামাই না। কেন বলুন তো? আমরা পাহাড়ী না বলে। এই দুষটা ছিল পশ্চিম-পাকিস্থানীদের। গুটি কয়েকজন ছাড়া পূর্ব-পাকিস্থানের ঘটনায় কেউ কথা বলত না। কেন মিলিটারীর ভয়ে???????? দেশটা গেল !!!!!!!!!!!!
সিডনীতে কলিগদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে
এই সমাজটা খুবই মুক্ত। এখানে সবাই যার যার ইচ্ছামত চলতে পারে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে অষ্ট্রেলিয়ার প্রতি ৫ জনের ১ জন কলিগের সাথে সেক্স করছে। এই প্রবনতাটা আমাদের সমাজ জীবন ও পারিবারিক জীবনে এতোটাই প্রভাব ফেলছে যে একজন ব্লগার বলছেন যে তার এক্স-ওয়াইফকে সে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে শুধুমাত্র তার বউ তার কলিগের সাথে অবৈধ সম্পর্ক জানাজানির পর। বাঙলীদের মধ্যে এই প্রবণতাটা খুব একটা দেখা না গেলেও নতুন প্রজন্মের বাঙলীদের কথা ভিন্ন। ওরা বেশ পুরোপুরিই অষ্ট্রেলিয়ার মূল স্রোতে চলে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাঙলীদের পরিবারিক গন্ডিতে বাঙালী সংস্কৃতির চর্চা না করাই কি একটা কারণ নয়। এই লিংকটিতে বিস্তারিত http://www.news.com.au/business/story/0,23636,22567093-5012426,00.html
Thursday, October 11, 2007
Monday, October 8, 2007
সিলটি ভাষা ও আমাদের জাতীয়তাবোধ ১
ভাষা ও সাহিত্যের সম্পর্ক রক্ত আর নাড়ির মতো। এক ছাড়া অন্য ভাবা যায় না। আলোচনায় যাবার আগে ভুমিকায় এইটুকুই বলতে চাই বাংলা ভাষা আজ পৃথিবীর ৪র্থ জনবহুল ভাষা এবং জনপ্রিয়তার দিক দিয়েও বাংলা বেশ এগিয়ে। রবীন্দ্র বলয়ে বাংলা সাহিত্য তার ষোলকলা পূর্ণ করে বিশ্বসাহিত্যে একটা বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য আজ বিশ্ব ঐতিয্যের অংশ। বাংলার এই মহিরূহ বৃত্তের আশপাশে ছোটখাটো ভাষা ও সাহিত্য থমকে গিয়ে বাংলার রূপে মিশে গিয়েছিল। কালের পরিক্রমায় সেই ছোট জাতিসত্বাগুলো আবার বিকশিত হওয়ার সময় এসেছে। ইন্টারনেটের প্রযুক্তি আজ দুনিয়ার সকল জায়গায় বিরাজমান এবং এই বিশ্বায়ন প্রযুক্তি একদিকে যেমন সব কিছু কেড়ে নিচ্ছে তেমনি এমন কিছু সম্ভাবনা ছুড়ে দিচ্ছে যা আগের আধুনিক যুগে ছিল না। এখন আসি মূল আলোচনায়। সিলটি ভাষা একটি আঞ্চলিক ভাষা না পূর্ণ ভাষা তা নিয়ে গত শতাব্দিতে বহু তর্কবিতর্ক হয়েছে। কিন্তু সিলটি ভাষা সৈনিকরা বসে নেই। এটা এখন দৃশ্যমান সত্য যে সিলটি ভাষা একটা আলাদা ভাষা এবং সাহিত্য ও ভাষা ভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস প্রমাণ করে যে সিলটি ভাষা অসমি আর বাংলার গর্ভ থেকেই সৃষ্টি হাজার খানেক বছর আগে। এই ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সিলটি ভাষায় অধিক পরিমান আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার। এই প্রবন্ধে এই সব দৃষ্টিকোন নিয়ে আলোচনার চেস্টা করা হবে।
সিলেটের ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত): প্রকাশিতব্য ..............
সিলেটের ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত): প্রকাশিতব্য ..............
Subscribe to:
Posts (Atom)